Showing posts with label Indian Hospitals.. Show all posts
Showing posts with label Indian Hospitals.. Show all posts

Friday, March 15, 2019

লিভার সুস্থ রাখার পরিচিত কিছু শাক-সব্জি ও ফলমূলঃ

আমাদের দেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ লিভার। যার ওজন প্রায় তিন পাউন্ড। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হজমশক্তি এবং পুষ্টিধারণসহ আমাদের দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে এই লিভার । তাই দেহের সুস্থতার জন্য লিভারের সুস্থতা খুবই জরুরি । এটি রক্তনালী থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয় এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ওজন বৃদ্ধিহৃদরোগদীর্ঘ সময় ক্লান্তি অনুভব করাহজমের সমস্যা,এলার্জি ইত্যাদি এই সমস্ত অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে ।


তাই দেহ ও লিভার সুস্থ রাখার জন্য চিনে নিন এমন কিছু খাবার যা সুস্থ রাখবে আপনাকে-


1) পাতিলেবুর রস:

লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ডি লিমনেন উপাদান লিভারে এনজাইম সক্রিয় করে। প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন,চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন

2) সবুজ শাক:

সবুজ শাকে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আমাদের দৈনন্দিন অন্যান্য খাবারে থাকা রাসায়নিক পদার্থ এবং কীটনাশকের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করে থাকে যা লিভারের জন্য বেশ উপকারী ।
3) শালগম:

মুলো জাতীয় শালগম শীতকালীনসবজি হিসেবে পরিচিত। এটি এক প্রকার রূপান্তরিত মূল এবং মাটির নিচের অংশ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়শালগমে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা লিভারের সার্বিক কাজে সহায়তা করে থাকে ।
4) রসুনের কোয়া:

লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য উত্তম খাবার হল রসুন। রসুনের এনজাইম লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে। প্রতিদিন যে কোন সময় ২/৩ টি রসুনের কোয়া খেয়ে নিন।
5) হলুদ:

মূল্যবান অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর হলুদ লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে হেপাটাইটিস বি এবং সি এর ভাইরাস নির্মূলেও এই হলুদ অত্যন্ত সহায়ক। শরীরে হজমে এবং পিত্তথলী পরিস্কার রাখতে সহায়তা করে হলুদ।
7) আপেল:

আপেল অতি পরিচিত একটি ফল। এটি বহু গুণে গুণান্বিত। আপেলের রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। আপেলের পেক্টিনফাইবার দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। তাই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খান।
6) আমলকী:

আমলকী হল আমাদের দেহের জন্য সব চাইতে উপকারী ভেষজের মধ্যে একটি। এটি আপনি প্রতি দিনই খেতে পারেন এবং এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। বরং আছে দারুণ সব উপকার। আমলকীর অনেক গুণাগুণ রয়েছে। আমলকী লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং হজমে 
8) জাম্বুরা (বাতাবি লেবু):

জাম্বুরা ফলটি সরাসরি বা জুস করে খেলে তা ক্যান্সার উৎপাদক উপাদান এবং টক্সিন নির্মূলে লিভারকে সহায়তা করে থাকে। এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

Wednesday, March 6, 2019

হাঁটু প্রতিস্থাপন বা KNEE REPLACEMENT SURGERY:

হাঁটু হল মানুষের শরীরের সবচেয়ে বড় অস্থিসন্ধি। এটি দাঁড়ানো থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। হাটু প্রতিস্থাপন হলো একটা অত্যাধুনিক সার্জারি যেটা প্রথম শুরু হয়েছিল ১৯৬৮ সালে। আর্থ্রাইটিস, এক্সিডেন্ট বা কোন কারনে হাঁটু তার সাধারন কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেললে হাঁটু  প্রতিস্থাপন সার্জারি করা হয়।

  কেন হাঁটু প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন ?
মূলত তিন ধরনের আর্থ্রাইটিস এর কারনে হাঁটু সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে—
১) আঘাতজনিত আর্থ্রাইটিসঃ অনেক সময় আঘাতে হাঁটু সন্ধির চারপাশের হাড়ে চিড় ধরে, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়।
২) অস্টিওআর্থ্রাইটিসঃ অস্টিওআর্থ্রাইটিস সাধারণত ৫০ বছরের পর হয়; তবে যেকোনো বয়সেও এ রোগ হতে পারে।
সাধারণ বয়সজনিত অসুখ এটি। এতে সন্ধি ক্ষয়ে যায়, সন্ধির চারপাশের লিগামেন্টগুলো আংশিক বা পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। এতে সাধারণত হাঁটু ক্রমেই শক্ত হয়ে যায় ও ব্যথা করে।
৩) রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসঃ অনেক সময় হাঁটু সন্ধির চারপাশে থাকা সাইনোভিয়াল মেমব্রেন মোটা হয়ে যায় ও প্রদাহে আক্রান্ত হয়। প্রদাহের কারণে সন্ধির ভেতরের কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি ক্ষয়ে যায় ও ব্যথা শুরু হয়।

 কিভাবে নিশ্চিত হবেন যে আপনার সার্জারির প্রয়োজন?
 এক্স-রে, এমআরআই।
 রক্ত ও প্রস্রাবের পরীক্ষা, ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রামও।
 ভুক্তভুগি বাক্তির বাহ্যিক হাঁটাচলা সাধারণ হাঁটু সন্ধির নাড়াচাড়া, শক্তি, লিগামেন্ট ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

 সার্জারির ফলাফলঃ
সাধারণত হাটু প্রতিস্থাপন সার্জারির পরে একজন ব্যাক্তি সাধারণ জীবনযাপন করতে পারেন , তবে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সার্জারির পর দৌড়ানো, জগিং, লাফানো ইত্যাদি নিষেধ করা হয়।
 সাধারনত তিন ধরনের ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে,
• ধাতব ইমপ্ল্যান্ট (দেশি ও বিদেশি)
• ছিরামিক ইমপ্ল্যান্ট (দেশি ও বিদেশি)
• প্লাস্টিক ইমপ্ল্যান্ট (দেশি ও বিদেশি) 
 খরচঃ 
 খরচ নির্ভর করে কোন হাসপাতালে করা হচ্ছে,
 কী ধরনের ধাতব ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করা হচ্ছে,
 বাকি খরচ হাসপাতাল, ডাক্তার ও ওষুধের।